আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই কর্তৃপক্ষ আবাসন খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছে। এখন থেকে দুবাইয়ে দুই বছর মেয়াদী রেসিডেন্সি বা আবাসন ভিসা পেতে কোনো নির্দিষ্ট অংকের সর্বনিম্ন বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না। বিনিয়োগকারীদের জন্য দুবাইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবং আবাসন খাতকে চাঙ্গা করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়মে যা পরিবর্তন হয়েছে
আগে দুবাইয়ে প্রপার্টি ভিসা পেতে হলে অন্তত ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭৫০,০০০) দিরহাম মূল্যের সম্পত্তি থাকার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী, একক মালিকানাধীন সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সীমা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যেকোনো মূল্যের সম্পত্তি ক্রয় করেই এখন ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব।
যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে নিয়ম
যদি সম্পত্তিটি একের অধিক ব্যক্তির যৌথ মালিকানায় থাকে, তবে নিয়মে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। এক্ষেত্রে:
প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর শেয়ার বা অংশের মূল্য অন্তত ৪ লাখ (৪০০,০০০) দিরহাম হতে হবে।
মালিকানা সমানভাবে ভাগ করা থাকলেও প্রত্যেকে এই ন্যূনতম মূল্যের শেয়ার ধারণ করলেই কেবল ভিসার জন্য যোগ্য হবেন।
আবেদনের খরচ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র
বিনিয়োগকারী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ দিরহাম খরচ হতে পারে (মেডিক্যাল ফি এবং এমিরেটস আইডি-সহ)। আবেদনের জন্য সাধারণত যে নথিগুলো প্রয়োজন:
১. দুবাই ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট নিবন্ধিত টাইটেল ডিড বা দলীল।
২. পাসপোর্ট এবং এমিরেটস আইডির কপি।
৩. দুবাই পুলিশ থেকে প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদ।
৪. স্বাস্থ্য বিমা।
৫. যদি সম্পত্তিটি বন্ধক রাখা থাকে, তবে ব্যাংক থেকে এনওসি বা অনাপত্তি পত্র।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা দুবাই ল্যান্ড ডিপার্টমেন্টের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম -এর মাধ্যমে সহজেই আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও অনুমোদিত টাইপিং সেন্টার বা স্মার্ট সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক ও নথিপত্র জমা দিয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে।
