ঢাকা অফিস
ব্যাংককে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার বৈঠককে দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে যে ‘তিক্ততা’ রয়েছে এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে তা কমার ‘সম্ভাবনাও’ দেখছেন তিনি।
শুক্রবার (০৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলে, ‘বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠক হয়েছে, এটা খুব আনন্দের কথা। আমরা মনে করি যে ভূ-রাজনীতি এবং বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির যে প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ-ভারতের এই অঞ্চলের যে প্রেক্ষাপট তাতে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী সাহেবের বৈঠকটা… এটা আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করছে।”
জুলাই আগস্টে গণহত্যার বিচারের জন্য শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার পাশাপাশি দিল্লিতে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রচেষ্টার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে এনেছে ইউনূস সরকার।
শুক্রবার দুই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠক হয়েছে। এ বৈঠকের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে একটা বিটারনেস (তিক্ততা) তৈরি হয়েছিল, সেই বিটারনেসটা যেন আর বেশি সামনে না যায় অথবা এটা যেন কমে আসে, সেখানে একটা সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি যতদূর দেখেছি, তাতে করে আমার মনে হয়েছে এই ব্যাপারে দুজনই যথেষ্ট আন্তরিক এবং এটা নিসন্দেহে বাংলাদেশের মানুষকে এবং ভারতের মানুষকে… দুই দেশের মানুষের উপকার করবে।’
শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি প্রায় আধা ঘন্টা স্থায়ী হয়।
