অনলাইন ডেস্ক
মালয়েশিয়া প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান।ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্স ইসলামিক স্টাডিজের (আইআইএআইএস) আমন্ত্রণে ডা. শফিকুর রহমান দুই দিনের জন্য মালয়েশিয়া সফর করেন।
এ সফরে তিনি দেশটির ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় জামায়াত আমির বাংলাদেশিদের দেশে মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা কাজে লাগাতে জাতীয় ঐক্য দরকার। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সফরে মালয়েশিয়া সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এনজিও ও পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াত আমির। আইআইএআইএস-এর আমন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ইসলামি সংগঠনের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

এছাড়া মালয়েশিয়ার শীর্ষ ইসলামিক দল পার্টি ইসলাম মালয়েশিয়া (পাস) প্রধান আবদুল হাদী আওয়াং এর সাথে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার পাস কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মুহাম্মদ খলিল আবদুল হাদী জানিয়েছেন, এই সাক্ষাৎ ইসলামি উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার জন্য উভয়পক্ষকে আশার আলো দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, এই সাক্ষাৎ খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুটি ইসলামি আন্দোলনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ পেয়েছে, যাদের লক্ষ্য ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও ইসলামি উম্মাহর কল্যাণ নিশ্চিত করা। জামায়াতের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট আবদুল হাদীর মতামত ও পরামর্শ চেয়েছেন।
সাক্ষাতে আবদুল হাদী আওয়াং রাজনৈতিক আন্দোলনের কৌশল এবং সঠিক পথ নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেছেন। তিনি ইসলামি নীতির ওপর ভিত্তি করে ধৈর্য, জ্ঞান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্বারোপ করেন।
ড. মুহাম্মদ খলিল আরও বলেন, জামায়াত প্রতিনিধিদল প্রেসিডেন্টের সুচিন্তিত পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং তা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ করেছে। জামায়াত বলছে এই বৈঠক আন্তর্জাতিক ইসলামি আন্দোলনের এক নতুন অধ্যায় সূচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা ইসলামি উম্মাহর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে তার সফরসঙ্গী ছিলেন জামায়াতে ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হামিদুর রহমান আজাদ।
