নওগাঁ প্রতিনিধি:
পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে তিন বছর আগে দুবাই পাড়ি জমান নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার এনায়েতপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মরহুম জামাল জোয়ারদারের ছেলে মিন্টু হোসেন। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে হাসপাতালের হিমঘরে লাশ পড়ে রয়েছে। অর্থ সঙ্কটের কারণে তার লাশ দেশে ফেরাতে পারছেন না স্বজনরা।
মিন্টুর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে স্বজনরা।
মিন্টুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিন্টু দেশে মেকানিক পেশায় ছিলেন। তার পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ঋণ করে একটি কোম্পানির ভিসায় ২০২১ সালে পারি জমান দুবাইয়ে। কয়েক মাসের মাথায় ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি হয়ে যান অবৈধ প্রবাসী। অনেক চেষ্টার পরেও বৈধ প্রবাসী হতে পারেননি তিনি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে স্ট্রোক করে দুবাইয়ে একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। মিন্টুর স্ত্রী পারভীন বেগম জানান, স্বামীর লাশটি দেশে আনার জন্য প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা লাগবে। এত টাকাতো আমাদের পরিবারের কারও কাছে নেই। তাই স্বামী মিন্টুর লাশটি এখনো দেশে আনতে পারিনি।
তিনি আরও জানান, একদিকে স্বামীর লাশ আনতে অর্থের প্রয়োজন। অন্যদিকে পরিবারের ঋণের বোঝা এবং দুটি কন্যাসন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকার এবং সমাজের বিত্তবান সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেলে স্বামী মিন্টুর লাশটি বাড়িতে আনা সম্ভব। তাই আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন মিন্টুর পরিবার। (মৃত প্রবাসী মিন্টুর পরিবারের নগদ অ্যাকাউন্ট নম্বর- ০১৭৩৫-১৯১৭৭৩)।
এ বিষয়ে রাণীনগরের ইউএনও উম্মে তাবাসসুম বলেন, মিন্টু নামে এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।
