নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আজ রবিবার সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সেই সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গণসমাবেশ করবেন আন্দোলনরতরা। এতে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বেলা ১১টায় রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে। ঘোষিত এ কর্মসূচির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কে। কোন গণপরিবহন চলছে না, চলছে শুধু রিকশা-সিএনজি।
রাজধানীর মিরপুরে সকাল থেকে রাজপথে কয়েকটি বাসের দেখা মিললেও, এতে হুমড়ি খেয়ে পড়তে দেখা গেছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রী, জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ, হাসপাতালগামী রোগী ও স্বজনরা।
আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর মুগদা, মালিবাগ, রামপুরা, নতুনবাজার এলাকায় সরেজমিনে গণপরিবহন সংকট দেখা যায়। রাস্তায় বাসের অপেক্ষায় অনেক অফিসগামী যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
রাজধানীর মুগদা বিশ্বরোড এলাকার চিত্র। বাস না পেয়ে অনেকে পিকআপে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রী রিকশা, মোটরসাইকেল বা সিএনজিতে করে রওনা হন। অনেক যাত্রীকে লেগুনায় বাদুড়ঝোলা হয়ে যেতে দেখা গেছে। আবার অনেকে পিকআপে করে গন্তব্যে গেছেন।
শুক্রবার (২ আগস্ট) রাতে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মাহিন সরকার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ছাত্র-নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে খুনের প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবিতে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন। পরদিন রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ আন্দোলনের ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
